পোস্টগুলি

মে, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পুরুষদের প্যান্ট ভাজ করে নামাজ পড়া বিষয়ক বিভ্রান্তি নিরসন

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। ( সম্প্রতি ফেসবুকের "নামাজে কাপ্লড় গুটাতে নিষেধাজ্ঞা" বিষয়ক একটি হাদিসের ভুল অর্থ প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্ত ছড়ানো হচ্ছে। এব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন শ্রদ্ধেয় মুফতি আফফান বিন শরফুদ্দিন হাফি. ) কাপড় গুটানো সংক্রান্ত হাদিস পর্যালোচনা ও ভুল প্রয়োগের অবসান  ব্যাখ্যা-১  স্বাভাবিক অবস্থায় কাপড় গুটাতে কোন সমস্যা নেই। এই হাদিসে কাপড় গুটাতে নিষেধ করার অর্থ হচ্ছে নামায চলাকালীন অবস্থায় কাপড় না গুটানো। তাছাড়া এটা হাতের কাপড় গুটানোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে বিপুল পরিমাণ ওলামায়ে কেরামের মতামত রয়েছে। আপনার দেয়া ফ্লায়ারটিতে আল হাদিস অ্যাপের রেফারেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে এই হাদিসের অনুবাদকরাও নামাযের মধ্যে গুটানোর বিষয়টি ব্র্যাকেটে লিখে দিয়েছেন।  ইব্‌নে ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)  –কে সাতটি অঙ্গের সাহায্যে সাজদাহ্ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং চুল ও কাপড়গুলোকে গুটানো থেকে বারণ করা হয়। (সলাত রত অবস্থায়)। (ই.ফা. ৯৭৯, ই.সে. ৯৯০) সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৯৮৪ ব্যাখ্যা-২ কাপড় গুটিয়ে নামায পড়তে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু

মহিলাদের ইতিকাফ সম্পর্কিত কিছু প্রয়োজনীয় মাসআলা

💢 মহিলাদের ইতিকাফের বিধানঃ রমযানের শেষ দশকের ইতিকাফ পুরুষের জন্য সুন্নতে মুয়াক্কাদা আলাল কিফায়া। অর্থাৎ মহল্লার মসজিদে পুরুষদের মধ্যে একজনও যদি ইতিকাফ করে তাহলে পুরো মহল্লাবাসী দায়মুক্ত হয়ে যাবে। আর নারীদের জন্য ইতিকাফ করা মুস্তাহাব। 💢 মহিলাদের ইতিকাফের স্থানঃ মহিলাদের নামাযের স্থান তাদের ঘরের অন্দরমহল; মসজিদ নয়। তারা ঘরে নামায পড়েও পুরুষদের মসজিদে নামায আদায়ের সমপরিমাণ সওয়াবের অধিকারী হন বলে সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। এ অর্থে মহিলাদের ঘর মসজিদের সদৃশ বলে পরিগণিত। তাই মহিলারা ঘরে তাদের নামায আদায়ের জন্য নির্ধারিত স্থানে ইতিকাফ করবেন। যদি আগে থেকেই ঘরে নামাযের জন্য কোনো স্থান নির্ধারিত না থাকে তাহলে ইতিকাফের জন্য একটি স্থান নির্ধারিত করে নিবেন। এরপর সেখানে ইতিকাফ করবেন। [হেদায়া ১/২৩০; ফাতাওয়া আলমগীরী ১/২১১] 💢 নারীর ইতিকাফ পুরুষের জন্য যথেষ্ট নয়ঃ রমযানের শেষ দশকে মসজিদে গিয়ে ইতিকাফ করা সুন্নতে মুআক্কাদা এর বিধান পুরুষদের জন্য, মহিলাদের জন্য নয়। সুতরাং মহিলারা চাই ঘরে ইতিকাফ করুক কিংবা মসজিদে পুরুষদের দায়িত্ব আদায় হবে না। এজন্য মহল্লার মসজিদে পুরুষদের মধ্য হতে একজনও যদ

ইতিকাফ বিষয়ে ২০টি জরুরি প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন- ০১ এ বছর রমযান মাসে আমি ইতিকাফ করার নিয়ত করেছি। কিন্তু আমার বাসা থেকে মসজিদে খাবার পৌঁছে দেওয়ার মতো কেউ নেই। আমি কি বাসায় গিয়ে খাবার আনতে পারব? যদি খাবার আনতে যাই তাহলে আমার ইতিকাফ কি ভেঙ্গে যাবে? উত্তর: মসজিদে খাবার পৌঁছে দেওয়ার মতো কেউ না থাকলে খাবার আনার জন্য আপনি বাসায় যেতে পারবেন। এ কারণে ইতিকাফ ভাঙবে না। তবে খাবার আনার জন্য মসজিদ থেকে বের হয়ে অন্য কোনো কাজে বিলম্ব করা যাবে না। অন্য কাজে অল্প সময় ব্যয় করলেও ইতিকাফ ভেঙ্গে যাবে। অবশ্য ঘটনাক্রমে খাবার প্রস্ত্তত না হলে সেজন্য অপেক্ষা করতে পারবেন। -আলবাহরুর রায়েক ২/৩০৩; আলমুহীতুল বুরহানী ৩/৩৮০; তাবয়ীনুল হাকায়েক ২/২২৪ . প্রশ্ন- ০২ কোনো কোনো এলাকায় দেখা যায়, রমযানের শেষ দশ দিনে এলাকাবাসী কেউ এতেকাফ না করলে অন্য এলাকা থেকে কোনো দরিদ্র ব্যক্তিকে খানা ও পারিশ্রমিক দিয়ে এতেকাফ করানো হয়। প্রশ্ন হল, ক) এরূপ করলে এলাকাবাসী সুন্নত তরকের গুনাহ থেকে বাঁচতে পারবে কি না? খ) ঐ ব্যক্তির জন্য এতেকাফকালীন দিনগুলোর পারিশ্রমিক নেওয়া জায়েয হবে কি না? উত্তর: ক) রমযান মাসের শেষ দশ দিন এতেকাফ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা আলাল কিফায়াহ। যদ