পোস্টগুলি

জুন, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ইসলামের আকিদা–বিশ্বাস সম্পর্কে বাংলা ভাষায় অনূদিত-প্রকাশিত কিছু কিতাব

ইসলামের মৌলিক আকিদা–বিশ্বাস জানতে বাংলা ভাষায় অনূদিত-প্রকাশিত নিম্নোক্ত কিতাবসমূহ মুতালাআ করতে পারেন Beginner's Level : প্রাথমিক পর্যায় একজন প্রাথমিক পর্যায়ের তালিবুল ইলম হিসেবে ইসলামের মৌলিক ও অকাট্য আকিদা–বিশ্বাসের বিবরণ সম্পর্কে সংক্ষেপে জানতে মুতালাআ করুন  :  ১. ঈমান ও আকীদা মূল : হাকিমুল উম্মাহ মাওলানা আশরাফ আলি থানবি রহ. সংকলক : মাওলানা হাবীবুর রহমান খান প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আশরাফ  ২. কালিমা ও নামাযের হাকীকত মূল : মাওলানা মুহাম্মাদ মানযুর নু'মানি রাহ. অনুবাদ : মাওলানা নাসীম আরাফাত প্রকাশনী : বাড কম্প্রিন্ট এন্ড পাবলিকেশন্স  ৩. দস্তূরে হায়াত – ইসলামী জীবনপদ্ধতি (শুধু আকিদা–বিশ্বাস সংশ্লিষ্ট অধ্যায়) মূল : আল্লামা সাইয়িদ আবুল হাসান আলি নদবি রাহ. অনুবাদ : মাওলানা শামসুল আরেফীন প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আশরাফ  ৪. শুআবুল ঈমান মূল : ইমাম বাইহাকি রহ. প্রকাশনী : বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার [ বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার থেকে প্রকাশিত বইটির অনুবাদটি যথাযথ আছে কি না (অর্থাৎ, ইনসাফধর্মী অনুবাদ হয়েছে কি না তা) মুহাক্কিক কোনো আলিমের কাছে গিয়ে যাচাই করে নিলে ভালো হয়। এই প্রকাশনা সংস্থার বইগুলো (অ

ব্যবসায় কী পরিমাণ লাভ করা বৈধ? ইসলাম কী বলে?

প্রশ্নঃ  ব্যবসায় কী পরিমাণ লাভ করা বৈধ? স্বাভাবিক মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য দাবি করা কিংবা চড়া মূল্যে কোন পণ্য বিক্রয় করা ইসলামের দৃষ্টিতে জায়েজ কি না? উত্তরঃ আল্লাহ তায়ালা হালাল পন্থায় ব্যবসা করার মাধ্যমে একে অপরের সম্পদ ভোগ করাকে বৈধ ঘোষণা করেছেন। কিন্তু লাভ করার কোন পরিমাণ নির্ধারণ করে দেন নি। বরং পরস্পর সন্তুষ্ট চিত্তে যেকোনো পরিমাণ লাভ করার সুযোগ রয়েছে।  আল্লাহ তায়ালা বলেন,  يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَأْكُلُوا أَمْوَالَكُم بَيْنَكُم بِالْبَاطِلِ إِلَّا أَن تَكُونَ تِجَارَةً عَن تَرَاضٍ مِّنكُمْ ۚ "হে ঈমানদারগণ! তোমরা অন্যায়ভাবে একে অপরের সম্পদ ভোগ করো না। তবে পরস্পর সন্তুষ্টি চিত্তে ব্যবসার মাধ্যমে ভোগ করতে পারো।" (সুরা নিসা, ২৯) সুতরাং হালাল পন্থায় পরস্পর সন্তুষ্টি চিত্তে ব্যবসার মাধ্যমে অপরের সম্পদ ভোগ করা যাবে। কিন্তু ব্যবসায় কী পরিমাণ লাভ করা যাবে তা আল্লাহ বলে দেন নি। বরং এটা ক্রেতা-বিক্রেতার উপর ছেড়ে দিয়েছেন।  তাইতো রাসুল সাঃ কে যখন বলা হলো, হে আল্লাহর রাসুল! বাজারের সব কিছুর দাম অনেক বেড়ে গেছে। আপনি পণ্যের বাজার দর নির্ধারণ করে দিন! তখন রাসুল সাঃ বললেন

হানাফি মাযহাবের অনুসারীর অন্য মাজহাব অধ্যুষিত অঞ্চলে আসরের নামাজ পড়া প্রসঙ্গে

প্রশ্ন শায়েখ, আসরের ওয়াক্ত নিয়ে আমার একটা প্রশ্ন আছে। Affan Bin Sharfuddin হাফিজ্বাহুল্লাহ এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, আসরের সময়ে আহলে হাদিস মসজিদে না যেতে কিংবা তাদের সঙ্গে জামায়াতে শরীক না হতে। আসরের সালাতের ওয়াক্ত নির্ধারণ তো ফিকহী ইখতিলাফি বিষয়। আমার জানামতে এই ব্যাপারে বাকি তিন মাজহাবের সঙ্গে হানাফি মাজহাবের ইখতিলাফ রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেই ওয়াক্ত (বাকি তিন মাজহাব) অনুযায়ী সালাত পড়লে তো সালাত হয়ে যাওয়ার কথা। হারামাইনে হাম্বলি মাজহাব অনুসারে আসরের ওয়াক্ত নির্ধারণ হয়। আল্লাহ চাহে তো যদি কখনো হারামাইনে আসরের সালাত আদায় করার সৌভাগ্য হয় তখন আমরা কি জামায়াতে আদায় করবো না? উত্তর বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। মক্কা মদিনাতে থাকা অবস্থায় আপনাকে সেখানকার সময় অনুযায়ীই জামাতে শরীক হতে হবে। কারন যখন একাধিক মাযহাবের মতামত সামনে থাকে এবং নিজ মাযহাব অনুসরণের সুযোগ থাকে তখন মুকাল্লিদ পর্যায়ের মানুষদের জন্য নিজের মাযহাবের মতের উপরেই আমল করতে হবে। কিন্তু যেখানে নিজ মাযহাবের মতের উপরে আমল করা সম্ভব না বরং ভিন্ন মাযহাবের উপরে আমল করাই একমাত্র অপশন ও উত্তম হয়ে পড়ে তখন ভিন্ন মাযহাবের উপরে আমল করতে হবে। তাই দেশে

অর্থনৈতিক সমস্যার সময়ে পর্দাহীন অবস্থায় প্রাপ্তবয়স্কা ছাত্রীকে পড়ানো কি বৈধ হবে?

প্রশ্ন :  আসসালামু আলায়কুম অর্থনৈতিক সমস্যার সময়ে বাধ্য হয়ে প্রাপ্তবয়স্কা মেয়েদের পড়ানোর বিধান সম্পর্কে জানতে চাই। আমি টিউশনিতে কোন মেয়ে ছাত্রী পড়াই না। অনেকদিন যাবত এই অবৈধ বিষয়টি পরিত্যাগ করেছি।কিন্ত বর্তমানে আমি এমন অবস্থায় উপনীত হয়েছি যে, আমার একটা টিউশনিও নেই। ২-৩ মাস বেকার থাকার পর এখন একটা টিউশন পেয়েছি তাও একজন প্রাপ্তবয়স্কা ছাত্রীকে পড়াতে হবে। এক্ষেত্রে আমার জন্য কি করণীয়?  উত্তর :  ওয়ালাইকুমুসসালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। একই জেণ্ডারের চিকিৎসকের অনুপস্থিতি হেতু চিকিৎসাগত প্রয়োজন বা অন্য কোন শরীয়ত অনুমোদিত ওযর ছাড়া কোন নারীকে তার গাইরে মাহরাম পুরুষ দেখতে পারবেনা। উপার্জনহীনতার সময়েও বেপর্দা অবস্থায় পড়া পড়ানো ওযরের অন্তর্ভুক্ত না। কারন সাধারণভাবে সুস্থ কোন মানুষের জন্য উপার্জনের পদ্ধতি পর্দাহীন পরিবেশে পড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ হতে পারেনা। সুস্থ মানুষের জন্য এ ছাড়া ভিন্ন পদ্ধতিতেও উপার্জন করা সম্ভব। আল্লাহ্ তায়ালা উপার্জনের জন্য আমাদেরকে মেধার পাশাপাশি শারিরিক শক্তিও দিয়েছেন। তাই মেধাকেন্দ্রিক শ্রমের (পড়ানো ও অন্যান্য) মাধ্যমে যদি বৈধ উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যায় তাহলে হালাল পদ্ধতিতে কায়িক প

হায়েজ থেকে পবিত্র হয়ে নামাজ পড়া প্রসঙ্গে...

প্রশ্ন আসসালামু আলাইকুম।  হায়েজ শেষ হওয়ার পর শেষ হয়নি ভেবে কিংবা জাগতিক কোন সমস্যার কারনে সালাত শুরু করতে দেরি হলে কিংবা এমন সময় শেষ হলো যে গোসল করে নামাজের সময় থাকল না, তাহলে কি ঐ ওয়াক্তের ক্বাজা করলে হবে? হায়েজ শুরু হওয়ার আগে কোন নামাজের ওয়াক্ত শুরু হলে এবং কোন কারনে পড়তে না পারলে, এই অবস্থায় হায়েজ শুরু হয়ে গেলে পরে এই ওয়াক্তের ক্বাজা পড়ে নিতে হবে? জাযাকাল্লাহ। উত্তর ১.হায়েজ যদি দশ দিন পূর্ণ হওয়ার পর শেষ হয় তাহলে যেই ওয়াক্তে শেষ হবে সেই ওয়াক্তের সামান্য সময়ও যদি বাকি থাকে তাহলে সেই ওয়াক্তের নামাজ কাজা করা আবশ্যক। চাই সেই সামান্য সময়ের মধ্যে গোসল করে নামাজ সময় থাকুক বা না থাকুক। আর যদি দশ দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই হায়েজ শেষ হয়ে যায় তাহলে যেই ওয়াক্তে শেষ হবে সেই ওয়াক্তের মধ্যে যদি এতটুকু সময় পাওয়া যায় যে, গোসল করে নামাজের জন্য দাড়িয়ে তাকবীরে তাহরিমা (আল্লাহু আকবার) বলার মতো সময় পাওয়া যায়, তাহলেও সেই ওয়াক্তের নামাজ কাজা করতে হবে। কিন্তু যদি এইটুকু সময় পাওয়া না যায়, তাহলে সেই ওয়াক্তের নামাজ কাজা করতে হবে না। ২.কোন ওয়াক্তে যদি হায়েজ শুরু হয়ে যায় এবং সময় পাওয়া সত্ত্বেও সেই ওয়াক্তের নামাজ হায়েজ

কিতাবুল ফিতানের পাঠকদের সমীপে

কিতাবুল ফিতান অর্থ ফিতনার আলোচনা বিষয়ক গ্রন্থ। এখানে সুনির্দিষ্ট কোনো গ্রন্থ উদ্দেশ্য নয়; বরং বাংলা ভাষায় এ যাবৎ প্রকাশিত যেকোনো গ্রন্থ উদ্দেশ্য। কয়েক বছর ধরে ফিতান বিষয়ে পাঠকদের বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তাই প্রকাশকরাও এ বিষয়ে বিভিন্ন বই প্রকাশ করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত কিতাবুল ফিতানগুলো সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন তুলে ধরা সংগত মনে হচ্ছে। আর বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য প্রাসঙ্গিক কিছু কথা বলাও প্রয়োজন।       ১. ফিতান বিষয়ক অধিকাংশ হাদিসই অশুদ্ধ, অগ্রহণযোগ্য ও অপ্রমাণিত। অন্যান্য বিষয়ের তুলনায় এ বিষয়ে জাল, ভিত্তিহীন ও দুর্বল হাদিসের সংখ্যা অনেক বেশি।   ২. ফিতান বিষয়ক হাদিসগুলোকে আমরা দু-ভাগে ভাগ করতে পারি : (ক) যা অতীতে সংঘটিত হয়েছে। (খ) যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের সঙ্গে সম্পর্কিত। অতীত ফিতনার সঙ্গে ইতিহাসের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। ইতিহাসের বর্ণনাগুলোর মধ্যেও শুদ্ধ এবং অশুদ্ধ দুই ভাগ রয়েছে। হাদিসের তাহকিকের তুলনায় ইতিহাসের বর্ণনার তাহকিক কঠিনই বটে। ইতিহাসের বিশুদ্ধ বর্ণনার আলোকেই কেবল অতীত ফিতনাগুলোর আলোচনা বোঝা সম্ভব। অন্যথায় হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণেই দেখা যায়, অনেক

স্বামী ও স্ত্রী একসাথে জান্নাতে থাকা সম্পর্কিত তিনটি প্রশ্নের উত্তর।

প্রশ্নঃ১.  দুনিয়ার জীবনে যারা স্বামী স্ত্রী, তারা কী আখিরাতেও স্বামী স্ত্রী হিসেবেই জান্নাতে যাবে?  . উত্তরঃ প্রথমতঃ ইসলামী শরী’আহ অনুযায়ী স্বামী কিংবা স্ত্রীর যে কোন একজনের মৃত্যু দ্বারা উভয়ের মাঝের বাহ্যিক বৈবাহিক সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। এ কারণেই একজন নারী স্বামীর মৃত্যুর পর ইদ্দত পালন শেষে অন্যত্রে বিবাহের সম্পর্কে জড়াতে পারেন। পাশাপাশি চার স্ত্রী রাখা পুরুষের জন্যও একজন স্ত্রীর ইনতিকালের পর চতুর্থ স্ত্রী হিসেবে অন্য কাউকে বিয়ে করার সুযোগ থাকে। চার স্ত্রীর কম হলে তো কথাই নেই। . দ্বিতীয়তঃ স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যে আন্তরিকতা, ভালোবাসা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া সৃষ্টি হয়, তার জুড়ি মেলা ভার। অনেক ক্ষেত্রেই একজনের মৃত্যুতে অন্যজন এতটাই আবেগতাড়িত হয়ে পরেন যে, দ্বিতীয় বিয়েতে আর আগ্রহী হন না। পুরুষের তুলনায় নারীদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায়। এসব ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই এমন নারী ও পুরুষগণ আখিরাতেও তার প্রাণপ্রিয় স্বামী কিংবা স্ত্রীর সান্নিধ্য কামনা করে থাকেন। এখন দেখার বিষয় হল কুরআন, হাদিস ও আছারে এ ধরনের কোন সুযোগ রয়েছে কিনা। এমন কোন বর্ণনা পাওয়া যায় কিনা? . এক. এই আলোচনায় যাওয়ার আগে নিজেকে

আর রিহলাতু ইলাল ইলম (ইলমের পানে অভিযাত্রা)

তাক্বব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। ঈদের শুভেচ্ছা উপলক্ষ্যে প্রিয়দেরকে লিখাটি হাদিয়া দিলাম। [আল্লাহ তা'লা মুহাদ্দিসদের রিহলার কারনে উম্মতের আসন্ন বালা মুসিবত দূর করেছেন। -ইব্রাহীম ইবনু আদহাম] ......................…................................................ আর রিহলাতু ইলাল ইলম (ইলমের পানে অভিযাত্রা)-  . যুগে যুগে উলামায়ে উম্মত (রহিমাহুমুল্লাহ মান মাতু ওয়া হাফিজাহুমুল্লাহ মান বাক্বু) এই দ্বীনের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসতেছেন। এবং  অক্লান্ত পরিশ্রম  মেহনত ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে  দ্বীনের বিশুদ্ধ ইলম সংরক্ষণ ও সংকলন করে আসতেছেন। এই দ্বীনের ইলমকে রক্ষাকারী উলামাগন (হাফিজাহুমুল্লাহ) কে আল্লাহ কিয়ামত পর্যন্ত অবশিষ্ট রাখবেন। রাছূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম থেকে বর্ণিত : يَحْمِلُ هَذَا الْعِلْمَ مِنْ كُلِّ خَلَفٍ عُدُولُهُ، يَنْفُونَ عَنْهُ تَحْرِيفَ الْغَالِينَ، وَانْتِحَالَ الْمُبْطِلِينَ، وَتَأْوِيلَ الْجَاهِلِينَ " অর্থ:''দ্বীনের এই ইলম প্রত্যেক পরবর্তীদের নিষ্ঠাবানরা বহন করবে,তারা  সীমালঙ্ঘনকারীদের  তাহরীফ( বিকৃতি)  থেকে ,বাতি