পোস্টগুলি

2024 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বাহাওয়ালপুর মোকদ্দমা : পিতা ও কন্যার ত্যাগের গল্প

ছবি
(পর্ব-১) ------- মধ্যরাত। ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ। বাহাওয়ালপুরের এক নির্জন পথে হেঁটে যাচ্ছেন মৌলবী এলাহি বখশ ও তার কিশোরী মেয়ে। আকাশে উঠেছে মস্ত চাঁদ। চাঁদের আলোয় ভেসে যাচ্ছে মাঠ-ঘাট-পথ। রাস্তার দুপাশে থাকা গাছের সারি পথের মাঝে ছোপ ছোপ অন্ধকার জন্ম দিয়েছে। এলাহি বখশ পথ চলছেন দ্রুত, এক হাতে শক্ত করে ধরেছেন প্রিয় মেয়ের হাত। অন্য হাতে আছে কাপড়ের থলে। একটু পর পর আতংকিত চেহারা নিয়ে তিনি পেছনে তাকাচ্ছেন। বুঝার চেষ্টা করছেন ধাওয়াকারিরা পেছন চলে এলো কিনা। খুব দ্রুত পালাতে হয়েছে তাদের। এমনকি বের হওয়ার সময় পিতা-কন্যা দুজনের কেউই জুতা নিয়ে আসতে পারেননি। পথ চলছেন খালি পায়ে। মাঝে মাঝে কংকরে পা পড়লে ব্যাথায় বিকৃত হয়ে যাচ্ছে চেহারা। পিতা-কন্যা দুজন কোনো কথা বলছেন না। গত এক বছর ধরে তারা এই পালানোর সাথে অভ্যস্ত। পালাতে পালাতে তারা ক্লান্ত হয়ে গেছেন। কত গ্রাম ঘুরলেন, কত জনপদ দেখলেন এলাহি বখশ । যেখানেই কোনো আত্মীয় বা বন্ধুর সন্ধান পেয়েছেন, ছুটে গেছেন তার বাড়িতে। চেয়েছেন আশ্রয়। ফিরিয়ে দেননি কেউ। থাকার ব্যবস্থা করেছে সবাই। কিন্তু দ্রুত সংবাদ জেনে যায় ধাওয়াকারীরা। তারা ছুটে আসে হিংস্রতা নিয়ে। বাধ্য হয়ে মেয়েকে নিয়ে...

আহমদ রেজা খান বেরেলভি একজন তাকফিরি আলেম

ছবি
এক.  এই প্রবন্ধটি কেন ? ওলামায়ে দেওবন্দ তার শুরু লগ্ন থেকে কুফরি ফিতনার বিপরীত যে ফিতনার পিছনে সময় ব্যয় করতে বাধ্য হয়েছেন তার মধ্যে প্রথম সারিতে হলো বেরলবি ফিতনা ও এই ফিতনা যার দিকে সম্বন্ধ আহমদ রেজা খান বেরলবি রহ.-এর মিথ্যাচারের জবাব দিয়ে। এমনকি ইংরেজদের শত জুলুম অত্যাচার আর তাদের চাপিয়ে দেওয়া কুফরের বিরুদ্ধে যখন হিন্দুস্থানের ওলামায়ে কেরাম কাজ করে যাচ্ছিলেন তখন আহমদ রেজা খান ও তার অনুসারীরা কিছু বেদয়াতি মাসআলা নিয়ে ওলামায়ে আহলে হককে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছেন। উম্মাহের ঐক্যের মাঝে ফাটল সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু হিন্দুস্থানের ওলামায়ে কেরাম বিশেষত ওলামায়ে দেওবন্দ মানুষের ইমান ও আমল রক্ষার স্বার্থে বেরলবিদের সকল অপপ্রচারের উত্তর দিয়েছেন। তাদের বেদয়াতি মাসআলাগুলো নিয়ে খণ্ডনের পর খণ্ডন করে এই মাসআলাগুলোকে প্রায় দাফন করেছেন। কিন্তু সম্প্রতি কিছু ভাই সে বিভিন্নভাবে ওলামায়ে দেওবন্দের কবর দেওয়া সে মাসআলাগুলোকে আবার পূনরায় লোক সম্মুখে আনার পায়তারা করছে। এর মাঝে কেউ কেউ প্রকাশ্যে এগুলো করার চেষ্টা করছে, কেউ নিজের আদর্শ গোপন করে নিজেকে দেওবন্দি পরিচয় দিয়ে বেরলবিয়াত প্রচার করছে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয়...